লাওসকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশের ফুটবল নারী দল

লাওসকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশের ফুটবল নারী দল

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের দুই স্তম্ভ একদিকে সিনিয়র দলের অভিজ্ঞ ঋতুপর্ণা চাকমা, আর অন্যদিকে অনূর্ধ্ব-২০ দলের উদীয়মান তারকা মোসাম্মৎ সাগরিকা। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্টে একাই চার গোল করে আলোচনায় এসেছিলেন সাগরিকা। এবার এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাই পর্বেও নিজেকে প্রমাণ করলেন। আজ (বুধবার) স্বাগতিক লাওসের বিপক্ষে করলেন জোড়া গোল, নিশ্চিত করলেন বাংলাদেশের ৩-১ ব্যবধানে জয়।

রাঙামাটির এই মেয়েটি গোল করে উচ্ছ্বসিত। ম্যাচ শেষে সাগরিকা বলেন,
“খুব ভালো লাগছে দুটি গোল করতে পেরে।”
তবে লাওসের মতো অচেনা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল তাদের,
“আসলে আমরা জানতাম না ওরা কেমন খেলে। একটু ভয়ও লাগছিল। কিন্তু যখন খেলাটা বোঝা শুরু করলাম, তখন আর সমস্যা হয়নি।”

বাংলাদেশ ৩-১ লাওস

লাওসকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশের ফুটবল নারী দল

লাওসের মাঠে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়িয়েছে। দেশ থেকেও অনেকেই চোখ রেখেছিলেন ম্যাচটির দিকে। তাই সাগরিকার প্রত্যাশা,
“সবাই যেভাবে সমর্থন দিচ্ছে, এভাবে পাশে থাকলে আমরা ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।”

সাগরিকার মতোই ম্যাচে গোল করেন মুনকি আক্তারও। তিনি বলেন,
“আজ অনেক সাপোর্ট পেয়েছি। আশা করি সামনেও এভাবে পাশে থাকবেন সবাই। আমরা জয় এনে দিতে চাই।”
লাওসের বিপক্ষে গোল করা নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন,
“ভাবিনি গোল করতে পারব। কিন্তু গোল পেয়ে দারুণ লাগছে। এখন প্রথমেই আমার কোচ ও পরিবারকে ফোন করব।”

ম্যাচ শেষে নারী দলের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার বলেন,
“প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়াটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এটা আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।”
বাংলাদেশ পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করলেও লাওস একটি গোল পরিশোধ করে ম্যাচে ফেরার আভাস দিয়েছিল। এ নিয়ে কোচ বলেন,
“আমরা ভালো ডিফেন্স করেছি। কিছু সময় চাপ ছিল, কিন্তু এটিই আমাদের খেলার ধরণ। কেউ এটিকে পছন্দ করে, কেউ করে না।”

প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে সাগরিকা-মুনকিরা যেমন আত্মবিশ্বাসী, তেমনি সমর্থকরাও আশায় বুক বাঁধছেন পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য।

আরও পড়ুন:

Leave a Reply